1. mistupoddar056@gmail.com : Bangla : Bangla
  2. admin@jatiyokhobor.com : jatiyokhobor :
  3. suhagranalive@gmail.com : Suhag Rana : Suhag Rana
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধন্যবাদ জানাই  গুগলকে আমাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান করার জন্য পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গতিবিধি থেকে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজ্ঞানিরা করোনার ভ্যাকসিনের বিশ্বব্যাপী বিতরণ শুরু দ্রুত ভ্রমণের জন্য মহাকাশে হাই বে পথও আছে ভিটামিন ডি করোনার মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে গবেষণায় জানা গেছে জীবনের অনেক চিহ্ন এখনও মঙ্গল গ্রহের পরিবেশে বিদ্যমান অক্সিজেনের সাহায্যে বয়সকে মাত দিতে চলেছেন বিজ্ঞানিরা এর ডানার বিস্তার ছিল বিশ ফুট ছিলো প্রাগতৈহাসিক যুগে গুরু এবং শনি একে অপরের নিকটে আসছে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী নিশির সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সেক্রেটারি লেখকের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রাশিয়ান বিজ্ঞানী কে হত্যা করা হয়েছে করোনার ভ্যাকসিনের সাথে যুক্ত ছিলেন গুদামে সরবরাহিত চিনি জেলা প্রশাসক অফিসে জানানো হবে মানসিক হয়রানি তদন্ত এবং দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিবর্তন করা হবে চিকিত্সার অভাবে মারা গেল লাপুংয়ের কেওয়াত টালির দরিদ্র শ্রমিক

রাঁচির এত কাছে এতো সুন্দর ঝরনা অনেকেই জানে না নাম

Reporter Name
  • পোষ্ট করেছে : Friday, 2 October, 2020
  • ৬২ জন দেখেছেন
রাঁচির এত কাছে এতো সুন্দর ঝরনা অনেকেই জানে না নাম
  • একশ ফুট ওপর থেকে নদীর জল পড়ে

  • ফেব্রুয়ারি মাসের পরে জল শুকিয়ে যায়

  • চার চাকার গাড়ি ওপরে যেতে পারে না

  • পর্যটকরা এলে এলাকার কল্যাণ হতে পারে

অনুপ পান্ডে

অনগড়াঃ রাঁচির এত কাছে এতো সুন্দর ঝরনা আছে, সেটা হয়তো রাঁচির অনেক লোকেরাই

জানেন না। আসলে ঘন বনের ভিতরে থাকা এই জলপ্রপাত অন্য সব জলপ্রপাতের মত জনপ্রিয়

হয়ে উঠতে পারে নি।

ভিডিও তে দেখে নিন এই সুন্দর ঝরনা খুব কাছে

তবে যারা রাঁচির আশে পাশে শুধুমাত্র হুঁডরু আর জোন্হা ছেডে় সিকিদিরি ড্যাম দেখে এসেছেন,

তাঁদের জন্য এটি আশ্চর্যের বিষয় হতে পারে। হয়তো অনেক রাঁচি শহরের স্থায়ী বাসিন্দারাও

এই ঝরনার ব্যাপারে জানেন না। লোকেদের নজর কাড়তে না পারলেও এটি আসলে সবচেয়ে

সুন্দর জলপ্রপাত। নাম হচ্ছে বাহায়া জলপ্রপাত। রাঁচি শহর থেকে মাত্র কুড়ি কিলোমিটার দূরে

এত সুন্দর কোন বেড়াবার জায়গা থাকতে পারে, সেটা হয়তো অনেকেই জানেন না। এই

ঝরনার আশে পাশের লোকেরাও এই ব্যাপারটি অনুভব করেন যে এখানে আরও বেশি পর্যটন

এলে স্থানীয় মানুষদের বিশেষকরে যুবকদের অতিরিক্ত রোজগারের একটি নতূন পথ খুলে

যেত। আসলে আলোচনায় এই ঝরনার ব্যাপারে বেশি সচেতনতা না থাকার জন্য অনেকেই এর

ব্যাপারে জানতে পারেনি। স্থানীয় লোকেরা এটিকে বাহায়া ফল (ঝরনা) বলে। প্রশাসনিক

কর্মকর্তা এবং জন প্রতিনিধিদের উদাসীনতার কারণে এটি এখনও জনগণের নজরে আসেনি।

চারিদিকে বন ঘিরে থাকায় ঝরনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তার অবস্থানের কারণে মনমুগ্ধ করছে।

এখানে প্রায় 100 ফিট এর উচ্চতা থেকে জল পড়ে। গ্রামবাসীরা জানান, এলাকার ক্ষেত গুলি

থেকে এখানে জল জমা হবার পরে ঝরনা হয়ে পড়ার পরে ধীরে ধীরে নদীর আকার নিতে থাকে।

তবে ফেব্রুয়ারী মাসের পর জল কম হয়ে গেলে এই ঝরনা নিজের থেকেই শুকিয়ে যায়।

গ্রামবাসীরা মনে করেন যে এটিকে একটি খুব ভাল পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করা যেতে বারে।

তাদের মতে, শুধু মাত্র একটা চেক ড্যাম তৈরি করলেই এই ঝরনায় সারা বছর জল থাকবে। এই

চেক ড্যাম একবার নির্মিত হলে, শরত্কালে সারা বছর জলের ধারাবাহিক প্রবাহ প্রবাহিত হবে।

পর্যটন বিভাগের লক্ষ্য থাকলে এটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলা যেতে পারে।

রাঁচির এত কাছে থাকা সত্তেও অনেক লোক জানে না

প্রাকৃতিক রূপ সমৃদ্ধ বাহায় ঝরনা দেখতে আসা লোকেদের সংখ্যা ধীরে ধীরে বেড়ে উঠবে।

রাঁচির কাছে তবু যাবার রাস্তা সহজ নয়। আসলে সেখানকার স্থানীয় লোকেরাও মনে করেন যে

এখানে যাবার রাস্তা সঠিক না থাকার কারণেও হয়তো অনেক লোক এখানে আসতে চায় না।

রাঁচি থেকে মুরী যাবার পথে হেসেল চৌক থেকেই বাহেয়া গাঁ যাবার রাস্থা। সেই রাস্তায় পাঁচ

কিলোমিটার যাবার পরে এই ঝরনার কাছে পৌঁছানো যায়। তবে এই রাস্তা ভীষণ সংকীর্ণ।

তাছাড়া জলপ্রপাতের ওপর দিকে চার চাকার গাড়ি নিয়ে যাবার কোন উপায় নেই।সেখানে

পৌঁচানোর জন্য বাইক একমাত্র উপায়। বাইক নিয়ে ওপর দিকে গেলেও বাইক রাখার পরে প্রায়

পাঁচ শত মিটার নীচে নেমে ঝরনা দেখতে পাওয়া যায়। সারা এলাকা ঘন জঙ্গলের ভর্তি।তবে

যারা জানেন না তাঁদের জানিয়ে রাখি যে এর কাছেই আছে গঙ্গাঘাট রেলওয়ে স্টেশন। রাঁচি

থেকে যারা পিকনিক করতে যান তারা এই স্টেশনের নাম অবশ্যই জানেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ
Bengali English Hindi