1. mistupoddar056@gmail.com : Bangla : Bangla
  2. admin@jatiyokhobor.com : jatiyokhobor :
  3. suhagranalive@gmail.com : Suhag Rana : Suhag Rana
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধন্যবাদ জানাই  গুগলকে আমাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান করার জন্য পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গতিবিধি থেকে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজ্ঞানিরা করোনার ভ্যাকসিনের বিশ্বব্যাপী বিতরণ শুরু দ্রুত ভ্রমণের জন্য মহাকাশে হাই বে পথও আছে ভিটামিন ডি করোনার মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে গবেষণায় জানা গেছে জীবনের অনেক চিহ্ন এখনও মঙ্গল গ্রহের পরিবেশে বিদ্যমান অক্সিজেনের সাহায্যে বয়সকে মাত দিতে চলেছেন বিজ্ঞানিরা এর ডানার বিস্তার ছিল বিশ ফুট ছিলো প্রাগতৈহাসিক যুগে গুরু এবং শনি একে অপরের নিকটে আসছে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী নিশির সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সেক্রেটারি লেখকের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রাশিয়ান বিজ্ঞানী কে হত্যা করা হয়েছে করোনার ভ্যাকসিনের সাথে যুক্ত ছিলেন গুদামে সরবরাহিত চিনি জেলা প্রশাসক অফিসে জানানো হবে মানসিক হয়রানি তদন্ত এবং দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিবর্তন করা হবে চিকিত্সার অভাবে মারা গেল লাপুংয়ের কেওয়াত টালির দরিদ্র শ্রমিক

কৈলাস মান সরোবর ঘুরে আসি ভারতের তৈরি নতুন পথ দিয়ে

Reporter Name
  • পোষ্ট করেছে : Tuesday, 12 May, 2020
  • ৪১ জন দেখেছেন
কৈলাস মান সরোবর ঘুরে আসি ভারতের তৈরি নতুন পথ দিয়ে

রাঁচিঃ কৈলাস মান সরোবর পৌঁছনো খুব সহজ হয়ে গেল।এবার থেকে নতুন রাস্তা দিয়ে এই

তীর্থক্ষেত্রে যেতে অনেক কম সময় লাগবে খরচ অনেক কম হবে। সাধারণ মানুষের পক্ষে অনেক

সহজ হয়ে যাবে কৈলাস মান সরোবর পৌঁছানো।

ভিডিও তে দেখে নিন এই নতূন রাস্তা কি ভাবে যায়

করোনা সংকটের মধ্যেও কেন্দ্র সরকার কৈলাসে যাবার জন্য নতুন রাস্তা তৈরি করে

ফেলেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এই রাস্তাটির অনলাইন উদঘাটন করেছেন। এবার থেকে

এই নতুন রাস্তা দিয়ে খুব কম সময়ে কৈলাসে পৌঁছানো যাবে।যারা রাস্তার দুর্গমতার জন্য বা

খরচের ভয়ে এই তীর্থে যেতে পারতেন না, তারা এখন অনায়াসে সেখানে যেতে পারবেন। এই

রাস্তাটির বৈশিষ্ট্য হলো যে আমাদের দেশের তীর্থযাত্রীরা নিজেদের দেশের মধ্য দিয়েই কৈলাস

মান সরোবর যেতে পারবেন। আগে বেশিরভাগ রাস্তায় চীনের সীমানার মধ্যে ছিল। যার ফলে

চিনা সরকারের হস্তক্ষেপ অনেক বেশি ছিল। কিন্তু বৈকল্পিক রাস্তা তৈরি হয়ে যাবার ফলে চীনের

হস্তক্ষেপ অনেকটাই কম হবে বলে মনে করছেন সকলে। ভারতীয় তীর্থযাত্রীরা এর জন্য খুশি

তারা খুব সহজেই ভারত-চীন সীমান্তের 5 কিলোমিটার পর্যন্ত ছোট গাড়িতে পৌঁছে যেতে

পারবেন। ফলে যে দূরত্ব অতিক্রম করতে আগে 6 দিন লাগতো এখন সেটা কমে গিয়ে মাত্র

দুইদিন হয়ে যাবে আগে চীনের ভেতর দিয়ে কৈলাসে যেতে অনেক রকম সমস্যা হতো। সেসব

চিন্তা করে সীমান্ত সড়ক সংগঠন সংকটের মধ্যেই একটি তৈরি করে ফেলেছে। এর সাথে সাথে

সাধারণ মানুষের কথা ভেবে এই যাত্রা পথ টিকে আরো আরামদায়ক এবং সহজ করে তোলা

হয়েছে যাত্রীদের যাতে বেশী টাকা খরচ করতে না হয় সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। যদিও

সীমান্ত সড়ক সংগঠনের পক্ষে এই কাজটি এত দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করে ফেলা অত সহজ ছিল

না। প্রায় 17 হাজার ফিট উচ্চতায় এই ধরনের একটি রাস্তা তৈরি করতে তাদের অনেক রকম

সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। হিমালয়ের এই দুর্গম এলাকায় যেখানে পদে পদে বিপদ লুকিয়ে

আছে, সেখানে এই কাজ করতে সবাইকেই খুব বেগ পেতে হয়েছে। যদিও অবশেষে সব কিছু

সুখকর হয়েছে। এর ফলে আগের তুলনায় বর্তমানে কৈলাস মান সরোবর এ পৌঁছতে মাত্র কুড়ি

শতাংশ সময় লাগবে। 

কৈলাস মান সরোবর যেতে এই রাস্তার বেশির ভাগ ভারতে

সবথেকে স্বস্তির কথা হলো যে এই যাত্রাপথের বেশিরভাগ এলাকা ভারতের সীমানার মধ্যে অবস্থিত। যদিও এখনও তিব্বতের একটি ছোট এলাকা এই যাত্রাপথ এর মধ্যে থাকছে। অবশ্য ভারতীয় পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে এখন চীন ও নিজের এলাকায় কিছু বিশেষ সুবিধার কথা ঘোষণা করেছে।
পর্যটকদের শ্বাস-প্রশ্বাসের যাতে কোনো রকম অসুবিধা না হয়। তার জন্য বর্তমানে এই এলাকায় অনেকগুলি অক্সিজেন বার তৈরী করা

হয়েছে। এই সব গুলিতে পর্যটকরা নিজেদের সুবিধামতো অক্সিজেন সংগ্রহ করে সুস্থ হয়ে উঠতে

পারেন। এই সবকিছুর ফলে এবার থেকে বেশি বয়স্ক মানুষরাও কৈলাস মান সরোবর যাওয়ার

স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন। এই রাস্তায় সফর করতে হলে গাড়িতে বা পায়ে হেঁটে করতে হবে।

এতে কোন বিমানযাত্রার সুবিধা পাওয়া যাবে না। যার ফলে গাঁটের কড়ি ও কম খরচ হবে।

চীনের সীমান্তে 5 কিলোমিটার পর্যন্ত ছোট গাড়িতে যাওয়া যাবে। এতদূর যাবার জন্য বা বলা

ভালো যে উঠবার জন্য অনেকের শ্বাসকষ্ট হয় তার থেকেও এবার রেহাই পাওয়া যাবে, হেঁটে

ওঠার ধকল সইতে হবে না।

অবশ্য তার আগে পর্যটকদের এত উঁচুতে ওঠার জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে

হবে। ভারত নিজের অনুভব এর উপর ভিত্তি করে এই সড়কটি নির্মাণ করেছে। তাই বেশ

কয়েকটি বিশেষ সুবিধার দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। প্রথমত রাস্তায় কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে

তাকে উদ্ধারের জন্য হেলিকপ্টার নামানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হিমালয়ের এই দুর্গম এলাকায়

কখন কি ঘটে যায়, সেটা আগে থেকে বলা যায় না।

সময় মতো ওষুধ বা খাদ্যদ্রব্য পৌঁছে দেবার ব্যবস্থা থাকছে এখানে বলে রাখা দরকার যে এই

রাস্তাটি উত্তরাখণ্ডের থেকে পিথৌরাগড় থেকে 130 কিলোমিটার লম্বা। দিল্লি থেকে

পিথৌরাগড়ের দূরত্ব 490 কিলোমিটার। পিথৌরাগড় থেকে আগে এখান থেকে 5 দিন পায়ে হেঁটে

চলতে হতো। এই সফরে পর্যন্ত পৌঁছানো যেত এখান থেকেই চীনের সীমান্ত শুরু হতো।

চীনের সীমানার পরেই শুরু হয় পর্বত পরিক্রমার রাস্তা

সেখান থেকে 5 কিলোমিটার পার করার পর কৈলাসের পরিক্রমা শুরু হতো। এই রাস্তাটি 97

কিলোমিটার লম্বা না করে শুধু ট্রেক করে ওপরে উঠলেও 43 কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়।

এটি শুধুমাত্র হিন্দুদের ই তীর্থক্ষেত্র নয়

হিন্দু ছাড়াও বৌদ্ধ এবং জৈন সম্প্রদায়ের মানুষ এটিকে তাদের তীর্থক্ষেত্র হিসেবে গণ্য করেন।

এছাড়াও বোন সম্প্রদায় যাদের লোক, সংখ্যা খুবই কম তারাও এই দুর্গম স্থলে তীর্থ করতে যান।

কৈলাস এর সাথেই অবস্থিত মান সরোবর নিয়ে মানুষের ধারণা আছে যে এখানে স্নান করলে সব

পাপ নাশ হয়। দেশ জুড়ে যখন করোনা সংকট চলছে, সেই সময়ে সীমান্ত সংগঠন এই রাস্তা তৈরি

করে তাদের কর্তব্য পালন করেছে। এই রাস্তাটি কালী নদীর তীর ধরে এগিয়ে চলেছে। কালী নদী

মানে ভারত আর নেপালের সীমানা আর এখানেই অবস্থান করছে ভারত নেপালের সীমারেখা

লেখার এই অঞ্চলটি। নাম হল লিপুলেখ। এটি তিনটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত এলাকায় শেষ

হয়। তবাঘাট পর্যন্ত যে 907 কিলোমিটার রাস্তা চলে গেছে সেটি এখন হয়ে গেছে এবং ভাগের

দূরত্ব 19.5 কিলোমিটার এই তৈরীর কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে যে আগামী এক বছরের

মধ্যে এই কাজটি শেষ হয়ে যাবে সেখান থেকে 80 কিলো মিটার সাল 2005 এ এই সড়কটি

নির্মাণ করার জন্য স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছিল। সেই সময় এর খরচ 80.76 কোটি টাকা ধার্য

করা হয়েছিল। 2018 তে এর আনুমানিক খরচ বেড়ে 439 দশমিক 40 কোটি টাকা হয়ে যায়।

তখন মনে করা হয়েছিল যে কাজটি 2022 এর ডিসেম্বর নাগাদ শেষ হয়ে যাবে। গত দুই বছর

ধরে যুদ্ধের গতিতে এই সড়ক নির্মাণের কাজ হয়েছে এবং তার পরিণাম আজ আমাদের সামনে

রয়েছে। বলা যেতেই পারে যে এই রাস্তা তৈরীতে একদিকে যেমন কৈলাস মান সরোবর এর

যাত্রীদের জন্য এক বিশেষ প্রাপ্তি তেমনি অন্যদিকে এটি ভারতের সীমান্ত রক্ষার ব্যাপারেও একটি

উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

চীনের সীমানার খুব কাছে পৌঁচেছে ভারতীয় সেনা

এর ফলে ভারতীয় সেনাবাহিনী সড়ক পথে অতি সহজেই চীনের সীমানায় পৌঁছে যেতে পারবে।

এতে সেই এলাকায় বসবাসকারী ভারতীয়দেরও অনেক লাভ হবে। তাই ধরে নেওয়া যায় যে

শুধুমাত্র তীর্থযাত্রিদের কথা মনে রেখে এই কঠিন কাজ করা হয় নি। বর্তমানে কৈলাশ মান

সরোবর ভ্রমণের জন্য আরও দুটি রুট আছে। প্রথম রুট সিকিম দিয়ে যায় এবং অন্য পথটি

কাঠমান্ডু থেকে শুরু হওয়ার সময়। সিকিমের পথে, আপনাকে রাস্তায় 1665 কিমি যেতে হবে।

এর পরে আবার 43 কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে। তবে এই পুরো যাত্রায় আপনি ভারতের

সীমান্তে মাত্র 175 কিলোমিটার থাকবেন। নেপালের কাঠমান্ডু থেকে কৈলাশ মানসরোভারের

রুটটি বেশ ব্যয়বহুল।এতে আপনি হেলিকপ্টার দিয়ে 755 কিলোমিটার ভ্রমণ করেন। বিকল্পটি

হল নেপাল সীমান্তে 840 কিলোমিটার ভ্রমণ। তারপরে আবার একই 43 কিলোমিটার পথ হাঁটা।

ভারতের তৈরি নতুন রাস্তায় পিথৌরাগড় থেকে তাওয়াঘাট পর্যন্ত 107 কিলোমিটারের বেশি

দূরত্ব এখন ডাবল লেনের রাস্তা। তাওয়াঘাট থেকে ঘাটিয়াবাগের দূরত্ব ১৯.৫ কিমি।ডাবল

লেনের কাজ শিগগিরই শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

[subscribe2]

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ
Bengali English Hindi