1. mistupoddar056@gmail.com : Bangla : Bangla
  2. admin@jatiyokhobor.com : jatiyokhobor :
  3. suhagranalive@gmail.com : Suhag Rana : Suhag Rana
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধন্যবাদ জানাই  গুগলকে আমাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান করার জন্য পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গতিবিধি থেকে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজ্ঞানিরা করোনার ভ্যাকসিনের বিশ্বব্যাপী বিতরণ শুরু দ্রুত ভ্রমণের জন্য মহাকাশে হাই বে পথও আছে ভিটামিন ডি করোনার মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে গবেষণায় জানা গেছে জীবনের অনেক চিহ্ন এখনও মঙ্গল গ্রহের পরিবেশে বিদ্যমান অক্সিজেনের সাহায্যে বয়সকে মাত দিতে চলেছেন বিজ্ঞানিরা এর ডানার বিস্তার ছিল বিশ ফুট ছিলো প্রাগতৈহাসিক যুগে গুরু এবং শনি একে অপরের নিকটে আসছে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী নিশির সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সেক্রেটারি লেখকের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রাশিয়ান বিজ্ঞানী কে হত্যা করা হয়েছে করোনার ভ্যাকসিনের সাথে যুক্ত ছিলেন গুদামে সরবরাহিত চিনি জেলা প্রশাসক অফিসে জানানো হবে মানসিক হয়রানি তদন্ত এবং দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিবর্তন করা হবে চিকিত্সার অভাবে মারা গেল লাপুংয়ের কেওয়াত টালির দরিদ্র শ্রমিক

কাঁধে স্কুলব্যাগ আর ভিক্ষার ঝুলি হাতে জীবনের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তিন বোন

Reporter Name
  • পোষ্ট করেছে : Thursday, 5 March, 2020
  • ৫৮ জন দেখেছেন
কাঁধে স্কুলব্যাগ আর ভিক্ষার ঝুলি হাতে জীবনের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তিন বোন
  • বাবা মারা গিয়েছেন দীর্ঘ দশ বছর আগে

  • ছোট মেয়ে কে ছেড়ে দিয়ে মা চলে গিয়েছেন

  • দাদূর বয়স ৭৫ তাই আর সামলাতে পারেন না

  • স্কূল শিক্ষকরা তাদের সুরক্ষা নিয়েও চিন্তিত

মালদাঃ কাঁধে স্কুলব্যাগ আর হাতে ভিক্ষার ঝুলি অভিভাবক হারানো তিন কন্যা এভাবেই

জীবনের বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।বাবা মারা গিয়েছেন দশ বছর আগে। তারপরে

মা দুধের ছোট মেয়েদের ছেড়ে চলে গেছেন।বেঁচে থাকার শেষ সম্বল টুকুও আজ নেই।তবু লড়াই

চালিয়ে যাচ্ছে মালদার মানিকচক ব্লকের গোপালপুর অঞ্চলের উত্তর হুকুমাতটোলা গ্রামের

নাবালিকা এই তিন বোন।এই লড়াই কঠিন তবুও পড়াশোনাকে হাতিয়ার করে এগিয়ে যেতে চাই

তিন বোন।পড়াশোনার খরচা যেখানে অধিক কল্পনা,সেখানে বেঁচে থাকতে দুবেলা দুমুঠো অন্ন

জোটাতে ভিক্ষায় সম্বল।সেখান থেকে বাঁচিয়ে চলছে বেঁচে থাকার করুন লড়াই।এখনো পর্যন্ত

জোটেনি কোনো সরকারী সাহায্য।এগিয়ে আসেনি কোনো সেচ্ছাসেবী সংগঠনও।যেন ভগবান

ভরসাতেই এগিয়ে চলছে তিন কন্যাশ্রী বোনের লড়াই।

মালদার মানিকচক এলাকায় এক চিলতেয় বসবাস

মালদার মানিকচক ব্লকের গোপালপুর অঞ্চলের উত্তর হুকুমাতটোলা গ্রামের নাবালিকা তিন

বোনের এক চিলতে জরাজীর্ণ ঘরেই বসবাস। বড়ো বোন ইসমেতারা খাতুন(১৬) ,মেজো বোন

নাসিফা খাতুন(১৪) ও ছোট বোন ছবিনুর খাতুন(১০)।স্থানীয় গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে দুই

বোন অষ্টম ও ছোট বোন পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী।বাবা রফিক শেখ অসুস্থতায় মারা গেছে প্রায় ১০

বছর আগে।সেই সময়ই মা মাস্তারা বিবি দুধের ছোট মেয়েকে ছেড়ে চড়ে গেছেন।বাবা মা কে

না দেখেই বছর দশ পার করেছে ছোট মেয়েটি।তিন অসহায় বোনের পাশে দাঁড়ায় দাদু

আসিরুদ্দিন শেখ।তবে বর্তমানে দাদুর বয়স হয়ে ৭৫।শারীরিক অসুস্থতা ও বয়সের ভারে

ভিক্ষার ঝুলি কাঁধে নেওয়ার ক্ষমতা হারিয়েছে।এতেই পেট চালানো হয়ে ওঠেছে দুস্কর।খেলার

বয়সে তিন বোনের শুরু হয়ে যায় পেটের খিদে মেটানোর লড়াই।বিগত কয়েক বছর ধরে তিন

অসহায় বোন নিয়মিত ভিক্ষা করে।কখনো এই পাড়া তো আবার অন্য পাড়ায় গিয়ে শুরু হয়

ভিক্ষে করে পেট চালানোর লড়াই।ভিক্ষা করে পেট চালানোর পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে

যাচ্ছেন তিন নাবালিকা বোন।কখনো একবেলা খাওয়ার জুটে তো আবার কখনো এক বেলা

অনাহারেই দিন কাটাতে হয় এই নাবালিকা অসহায় তিন বোনকে।

কাঁধে স্কুলব্যাগ নিয়ে ভিক্ষার মাঝে মাঝে হয়ে ওঠে না

প্রতিবেশীদের দয়া ভিক্ষা ও ভগবান ভরসায় চলছে তিন বোনের দিন যাপন। অসুস্থ দাদু

আসিরুদ্দিন শেখ জানান, সাহায্যের জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েত সহ নেতাদের জানালেও কেউই

এখনো সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি।আমিও পারছি না।শেষ বেলায় এসে পৌঁছেছে জীবন।

বাবা ও পেটের অসহ্য খিদের জ্বালায় প্রতিনিয়ত গুমরে গুমরে কাঁদে তিন বোন।স্থানীয়

বাসিন্দারা জানান,এই তিন বোন আজ অসহায়।একটি চাটাইয়ের জরাজীর্ণ ঘর রয়েছে।বয়স্ক

শারীরিক অক্ষম দাদু দিদার সাথে কাটাচ্ছে দিন।পেটের খাওয়ার জোটাতে ভিক্ষে করতে হচ্ছে

তাদের।গ্রামের মানুষ যতটা পারে সাহায্য করে নতুবা অন্য গ্রামে গিয়ে ভিক্ষা করে চলে এদের

করুন দিন।কেউ যদি সাহায্য করে তাহলে হয়তো দিন বদলাবে তাদের। অসহায় নাবালিকা

বোনেদের কোথা, পড়াশোনা করতে চাই কিন্তু পেটের খাওয়ার জোগাড় করতে হবেই।তাই

কখনও কাঁধে স্কুলব্যাগ ছেড়ে করতে হয় ভিক্ষে।কখনো কাঁধে স্কুলব্যাগ নিয়ে এই কাজ করতে

হয় তিন বোনকে।  স্কুল থেকে ফিরে ভিক্ষে করতে বেড়াই।তবে কেউই কোনো সাহায্য করেনি।

কেউই দেখতে আসেন না।এখন ভিক্ষায় সম্বল।কোনোদিন সম্ভব হলে যায় স্কুল,তবে বেশির ভাগ

দিনই ভিক্ষা করতে গিয়ে যাওয়া হয়না স্কুলে। স্থানীয় শিক্ষক হেনসার আলী বলেন,মেয়ে গুলো

দিন দিন বড় হচ্ছে।ফলে নিরাপত্তা বিষয়টাও রয়েছে।বাড়িতে শৌচাগার নেই, ফলে শৌচকর্মের

জন্য ছুটতে হয় এদিকে তাদের।বিদ্যালয়ের তরফে আমরা পড়াশোনার সামান্য কিছু সাহায্য

করেছে আগে।কিন্তু তাদের প্রচুর সাহায্যের দরকার।প্রথমত পেটের খিদে মেটানোর ও

নিরাপত্তার বিষয়টি দেখা উচিত প্রশাসনকে।

তিন বোনের সাথে দেখা করে এসেছেন সুনন্দন মজুমদার

তিন বোনের এমন অসহায়ের কথা জানতে পেরে এদিন তাদের সাথে দেখা করেন বিশিষ্ট শিক্ষক

তথা সমাজসেবী সুনন্দন মজুমদার।ব্যক্তিগত ভাবে সামান্য কিছু আর্থিক সাহায্য করেন।

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন,এই তিন বোনের অবস্থা খুবই দুর্বিষহ অবস্থা।বিষয়টি জানতে পেরে ছুটে

এসেছি।দেখা করলাম কথা বললাম।সামান্য কিছু ব্যক্তিগত ভাবে সাহায্য করেছি।আমি

সর্বশক্তিতে এই তিন বোনের সাহায্যের জন্য আবেদন করবো।প্রশাসনের কাছে সাহায্যের আর্জি

করবো।কিছু ব্যবস্থা করেই শান্তি পাবো

[subscribe2]

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ
Bengali English Hindi