1. mistupoddar056@gmail.com : Bangla : Bangla
  2. admin@jatiyokhobor.com : jatiyokhobor :
  3. suhagranalive@gmail.com : Suhag Rana : Suhag Rana
শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধন্যবাদ জানাই  গুগলকে আমাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান করার জন্য পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গতিবিধি থেকে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজ্ঞানিরা করোনার ভ্যাকসিনের বিশ্বব্যাপী বিতরণ শুরু দ্রুত ভ্রমণের জন্য মহাকাশে হাই বে পথও আছে ভিটামিন ডি করোনার মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে গবেষণায় জানা গেছে জীবনের অনেক চিহ্ন এখনও মঙ্গল গ্রহের পরিবেশে বিদ্যমান অক্সিজেনের সাহায্যে বয়সকে মাত দিতে চলেছেন বিজ্ঞানিরা এর ডানার বিস্তার ছিল বিশ ফুট ছিলো প্রাগতৈহাসিক যুগে গুরু এবং শনি একে অপরের নিকটে আসছে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী নিশির সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সেক্রেটারি লেখকের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রাশিয়ান বিজ্ঞানী কে হত্যা করা হয়েছে করোনার ভ্যাকসিনের সাথে যুক্ত ছিলেন গুদামে সরবরাহিত চিনি জেলা প্রশাসক অফিসে জানানো হবে মানসিক হয়রানি তদন্ত এবং দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিবর্তন করা হবে চিকিত্সার অভাবে মারা গেল লাপুংয়ের কেওয়াত টালির দরিদ্র শ্রমিক

দৈত্যাকার কচ্ছপের আকার আজকের গাড়ির থেকেও বড় ছিল

Reporter Name
  • পোষ্ট করেছে : Tuesday, 18 February, 2020
  • ৩১ জন দেখেছেন
দৈত্যাকার কচ্ছপের আকার আজকের গাড়ির থেকেও বড় ছিল
  • প্রাচীন পৃথিবীতে জলে ও স্থলে থাকতো এরা

  • ফসিল দেখে জানা গেছে খুব আক্রামক

  • প্রথম বার গোটা অবশেষ পাওয়া গেছে

নয়াদিল্লীঃ দৈত্যাকার কচ্ছপের অবশেষ পাওয়া গেছে। এই দেখে বোঝা

গেছে যে অনেক দিন আগে এই প্রাণী পৃথিবীতে ছিলো।  তারা পৃথিবী

থেকে উধাও কেন হয়ে গেছে, সেই ব্যাপারে বিজ্ঞানিরা এখনও কোন

সিদ্ধান্তে আসেন নি। এদের ফসিল দেখে বোঝা গেছে যে দৈত্যাকার আকার

হবার সাথে সাথে এরা আক্রমণাত্মক প্রজাতির প্রাণী ছিলো। এই আগেও এই

প্রজাতির অবশেষ পাওয়া গিয়েছিলো কিন্তু পুরো না থাকার জন্য

বিজ্ঞানিরা কোন সিদ্ধান্তে পৌঁচাতে পারেন নি। কলম্বিয়ার মরুভূমির

এলাকা থেকে দৈত্যাকার কচ্ছপের অবশেষ পাওয়া গেছে, যা এখনও একটি

রেকর্ড।

খননকালে পাওয়া জীবাশ্মের ভিত্তিতে, এটি বোঝা যায় যে এর আকারটি

বর্তমান জীবনের কোনও গাড়ীর চেয়ে বড় ছিল তার জীবনে। এদের ওজন

প্রায় চার শত টন ছিলো। তবে এটি জল এবং স্থল উভয়ই সমান ভ্রমণ

করত। অনুমান করা হয় যে আকারের কারণে, এর গতিও বর্তমান

প্রজাতির কচ্ছপের চেয়ে বেশি ছিল। একই ধরণের একটি জীবাশ্ম

ভেনেজুয়েলার উরুমাকো অঞ্চলেও পাওয়া যায়। প্রাথমিক অনুমান

অনুসারে, এই পৃথিবীতে এই কচ্ছপের অস্তিত্ব প্রায় সাত মিলিয়ন বছর আগে

হত।

দৈত্যাকার কচ্ছপের শরীর প্রচুর আঘাতের চিহ্ন

জীবাশ্ম দেখে বিজ্ঞানিরা এই ধরনের কথা জানতে পেরেছেন যে এরা শান্ত

প্রাণী ছিলো না। বোগাটোর ডেল রোজারিও বিশ্ববিদ্যালয়ের শোধকর্তারা

জানিয়েছেন যে এই প্রজাতির কচ্ছপের আকার প্রায় ৪.৬ মিটার অব্দি হত।

এর আগে ১৯৭০ সালে এর একটি ফসিল পাওয়া গিয়েছিলো কিন্তু সেটি

সম্পুর্ণ না থাকায় বিজ্ঞানিরা কোন সিদ্ধান্ত নেন নি। বোঝা যাচ্ছে যে এই

কচ্ছপ যেই সময়ে ছিলো, সেটি ডায়নাসোর যূগের শেষের দিক। এই সময়ে

পৃথিবী থেকে ডায়নাসোর হয়তো শেষ হয়ে গেছে বা শেষ হয়ে যাচ্ছিলো।

তবে এটা বোঝা গেছে যে এই প্রজাতির প্রাণী সমুদ্রে থাকতো না। সাধারণ

গভীর জলের নদীতে বা গভীর হৃদে এরা বাস করতো। এই জীবাশ্ম দেখে

তার চোয়ালে গঠন দেখে বোঝা গেছে তার চিবিয়ে খাবার ক্ষমতা খুব

বেশি ছিলো। নিজের এলাকায় এরা প্রায়ই একে অপরকে আক্রমণ করতো।

সেই কালে পৃথিবীতে বিশাল আকারের কুমির ছিলো। কিন্তু কুমিররা এদের

শক্ত খোলের জন্য আক্রমণ করতে পারতো না। বিজ্ঞানিরা জানিয়েছেন যে

ছোট আকারের মাছ বা জলের অন্য প্রাণী এদের খাদ্য ছিলো তবে এরা

সময় সময়ে ঘাস পাতাও খেতো।

[subscribe2]

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ
Bengali English Hindi