1. mistupoddar056@gmail.com : Bangla : Bangla
  2. admin@jatiyokhobor.com : jatiyokhobor :
  3. suhagranalive@gmail.com : Suhag Rana : Suhag Rana
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধন্যবাদ জানাই  গুগলকে আমাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান করার জন্য পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গতিবিধি থেকে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজ্ঞানিরা করোনার ভ্যাকসিনের বিশ্বব্যাপী বিতরণ শুরু দ্রুত ভ্রমণের জন্য মহাকাশে হাই বে পথও আছে ভিটামিন ডি করোনার মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে গবেষণায় জানা গেছে জীবনের অনেক চিহ্ন এখনও মঙ্গল গ্রহের পরিবেশে বিদ্যমান অক্সিজেনের সাহায্যে বয়সকে মাত দিতে চলেছেন বিজ্ঞানিরা এর ডানার বিস্তার ছিল বিশ ফুট ছিলো প্রাগতৈহাসিক যুগে গুরু এবং শনি একে অপরের নিকটে আসছে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী নিশির সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সেক্রেটারি লেখকের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রাশিয়ান বিজ্ঞানী কে হত্যা করা হয়েছে করোনার ভ্যাকসিনের সাথে যুক্ত ছিলেন গুদামে সরবরাহিত চিনি জেলা প্রশাসক অফিসে জানানো হবে মানসিক হয়রানি তদন্ত এবং দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিবর্তন করা হবে চিকিত্সার অভাবে মারা গেল লাপুংয়ের কেওয়াত টালির দরিদ্র শ্রমিক

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা ফেরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবেঃ মুন

Reporter Name
  • পোষ্ট করেছে : Monday, 25 November, 2019
  • ৫৯ জন দেখেছেন
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা ফেরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবেঃ মুন
প্রতিনিধি

ঢাকাঃ বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফেরানোর বিষয়টি

নিশ্চিত করতে হবে। এই সংকটের রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন। তবে

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করাটা বাংলাদেশের একার পক্ষে সম্ভব নয় বলে

মন্তব্য করছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন। গতকাল ঢাকার

একটি হোটেলে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বৈঠকে বসেন বান কি মুন ও

বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

এর আগে শুক্রবার ঢাকায় আসেন মুন। মুন বলেন, মায়ানমারকে আরও

বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। মায়ানমারকে দ্রুত রোহিঙ্গা ইস্যু

অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং দুঃখজনক। রাষ্ট্রপুঞ্জে সাবেক মহাসচিব হিসেবে তিনি

মায়ানমারকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান। যাতে রোহিঙ্গারা

সেখানে ফেরার সাহস পায়। বান কি মুন বলেন, বিগত জুলাই মাসে কক্সবাজারে

সফর করেন মুন।

সেখানে তিনি রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখে দুঃখ পান। বলেন অল্প জায়গায়

১১ লাখ মানুষের দুর্বিষহভাবে বসবাস। তিনি আগামী বছর বঙ্গবন্ধুর

জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলাদেশে আসার ইচ্ছে

রয়েছে। এর আগেও অনেক বার বান কি মুন এই নিয়ে স্পষ্ট কথা বলেছেন।

অন্য দেশের অনেক রাষ্ট্রপ্রধানরাও এই সংকটের সমাধানের কথা বলেছেন।

কিন্তু মিয়ানমারের পরিস্থিতি এবং সরকারের কড়া মনোভাবের জন্য এই

সমস্যা সমাধানের কোন রাস্তা এখন পর্য্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায় নি।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থী শিবিরে প্রচন্ড চাপ

বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশের ওপরেও

প্রচুর অর্থনৈতিক চাপ পড়েছে। এর মধ্যে তাঁদের স্থায়ী ভাবে থাকতে দেবার জন্য

আলাদা ব্যাবস্থাও করা হচ্ছে। অন্য দিকে অনেক পর্যাযে আলোচনার পরেও

এই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজের দেশে ফেরত নিতে মিয়ানমারের কোন

উচ্চবাচ্য নেই।

তাই কিছূ দেশ মিয়ানমারের ওপরে অন্য ধরনের নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে।

আসলে সেখানে এখনও কিছূ এলাকায় শান্তি ফিরে আসেনি। এর মধ্যে

পাশ্চাত্য মিডিয়া এই কথা জানিয়েছে যে যে সব গ্রাম থেকে রোহিঙ্গাদের

তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলো, সেই সব এলাকা দখল হয়ে গেছে।

সেখানকার সেনাবাহিনী আক্রমণ করে রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলিকে গ্রাম

জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছিলো। ধরা যেতে পারে যে সেখানে এখন

পর্য্যন্ত সরকারী পর্যায়ে এই সব দেশবাসীকে ফিরিয়ে নেবার কোন প্রচেষ্টা

এখন অব্দি দেখা যাচ্ছে না।

[subscribe2]

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ
Bengali English Hindi