1. mistupoddar056@gmail.com : Bangla : Bangla
  2. admin@jatiyokhobor.com : jatiyokhobor :
  3. suhagranalive@gmail.com : Suhag Rana : Suhag Rana
শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধন্যবাদ জানাই  গুগলকে আমাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান করার জন্য পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গতিবিধি থেকে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজ্ঞানিরা করোনার ভ্যাকসিনের বিশ্বব্যাপী বিতরণ শুরু দ্রুত ভ্রমণের জন্য মহাকাশে হাই বে পথও আছে ভিটামিন ডি করোনার মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে গবেষণায় জানা গেছে জীবনের অনেক চিহ্ন এখনও মঙ্গল গ্রহের পরিবেশে বিদ্যমান অক্সিজেনের সাহায্যে বয়সকে মাত দিতে চলেছেন বিজ্ঞানিরা এর ডানার বিস্তার ছিল বিশ ফুট ছিলো প্রাগতৈহাসিক যুগে গুরু এবং শনি একে অপরের নিকটে আসছে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী নিশির সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সেক্রেটারি লেখকের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রাশিয়ান বিজ্ঞানী কে হত্যা করা হয়েছে করোনার ভ্যাকসিনের সাথে যুক্ত ছিলেন গুদামে সরবরাহিত চিনি জেলা প্রশাসক অফিসে জানানো হবে মানসিক হয়রানি তদন্ত এবং দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিবর্তন করা হবে চিকিত্সার অভাবে মারা গেল লাপুংয়ের কেওয়াত টালির দরিদ্র শ্রমিক

দেবী দুর্গার বিসর্জনের সময় লণ্ঠনের আলো দেখায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়

Reporter Name
  • পোষ্ট করেছে : Wednesday, 9 October, 2019
  • ৫১ জন দেখেছেন
দেবী দুর্গার বিসর্জনের সময় লণ্ঠনের আলো দেখায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়

মালদাঃ দেবী দুর্গার বিসর্জনের সময় প্রায় ৩৫০ বছরের পুরনো প্রথা মেনেই আজও

চাচোল রাজবাড়ির দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন এর সময় মহানন্দা নদীর পারে লণ্ঠনের

আলো দেখায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শতাধিক মানুষেরা।

চাঁচলের রাজবাড়ির দেবী দুর্গার বিসর্জন পর্বই সমাজের কাছে সাম্প্রদায়িক

সম্প্রীতির অনন্য নজির হিসাবে এখন গড়ে উঠেছে।

চাঁচল রাজবাড়ীর দেবী মূর্তির এখানে চার হাত।

দেবী দুর্গা এখানে চন্ডীরূপে পূজিত হন।

যদিও বর্তমানে রাজা নেই, নেই তার রাজত্ব।

কিন্তু রয়ে গেছে রাজ আমলের পুরনো রীতি।

আর সেই রীতি মেনে দশমীর দিন গোধূলি বেলায় মন্দিরের সামনে ঠিক ২০০

মিটার দূরে মরা মহানন্দায় বিসর্জন দেওয়া হয় প্রতিমাকে।

আর নদীর ওই পারে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন লণ্ঠনের আলো জ্বালিয়ে মাকে

এবছরের মতো বিদায় জানান।

চাঁচল রাজবাড়ির সুপারভাইজার পিনাকীজয় ভট্টাচার্য বলেন, রাজবাড়ীর দেবী

প্রতিমা নিরঞ্জনের এই প্রথা ৩৫০ বছরের প্রাচীন।

মরা মহানন্দার ওপারে রয়েছে বিদ্যানন্দ পুর গ্রাম।

ওই গ্রামে মূলত মুসলিম সম্প্রদায়ের বসবাস।

দেবীর বিদায় বেলায় তারাই লণ্ঠনের আলো দেখান।

দেবী দূর্গার বিসর্জনের স্বপ্ন দেখার পর থেকে প্রথা

তবে এলাকায় কথিত আছে, প্রায় ৩৫০ বছর আগে ওই গ্রামে মহামারীর প্রকোপ

দেখা দিয়েছিল।

নবমীর রাত্রে ওই গ্রামে কোনএক মুসলিম ব্যক্তি মা চন্ডীর স্বপ্নাদেশ পান।

দেবী স্বপ্নাদেশে তাকে নির্দেশ দেন, দশমী তিথির গোধূলিলগ্নে ওই গ্রামের মানুষজন

যেন তাকে লণ্ঠনের আলো দেখায়।

সেই স্বপ্নাদেশ মেনে সেবার বিদ্যানন্দপুর গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা

দশমীর দিন মায়ের বিদায় বেলায় লন্ঠন জ্বালিয়ে তাকে আলো দেখান।

এরপরই ওই গ্রাম থেকে মহামারী দূর হয়ে যায়।

সেই থেকে আজও বিদ্যানন্দপুর মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা দেবীর বিসর্জনের

সময় মরা মহানন্দা নদীর অপরপ্রান্তে জড়ো হয়ে লন্ঠন জ্বালিয়ে আলো দেখান।

বিদ্যানন্দ পুরের বাসিন্দা মনিরউদ্দিন, আয়েশা বিবি, ও লুৎফর হোসেনরা বলেন,

মা চন্ডী হিন্দুদের দেবী হলেও তারা তাকে ভক্তি শ্রদ্ধা করেন।

দুর্গাপূজায় তারাও সামিল হন। পাহাড়পুরের দেব চন্ডী সর্বক্ষণ তাদের সুস্থ রাখেন,

বিপদ থেকে তাদের রক্ষা করেন।

দেবী বিসর্জনের সময় তাই গ্রামের প্রতিটি বাসিন্দা নদীর পাড়ে লন্ঠন জ্বালিয়ে দেবীকে আলো দেখান।

এই রীতি কয়েক পুরুষ ধরে চলে আসছে।

গ্রামে এখন প্রত্যেকের বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে।

লণ্ঠনের ব্যবহার নেই বললেই চলে।

পুজো এলে তারা পুরনো লন্ঠন পরিষ্কার করে রাখেন।

দশমীর দিন গোধূলীবেলায় বিসর্জনের সময় সেই লন্ঠন জ্বালিয়ে দেবীকে

আলো দেখিয়ে বিদায় জানান সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ
Bengali English Hindi