1. mistupoddar056@gmail.com : Bangla : Bangla
  2. admin@jatiyokhobor.com : jatiyokhobor :
  3. suhagranalive@gmail.com : Suhag Rana : Suhag Rana
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধন্যবাদ জানাই  গুগলকে আমাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান করার জন্য পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গতিবিধি থেকে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজ্ঞানিরা করোনার ভ্যাকসিনের বিশ্বব্যাপী বিতরণ শুরু দ্রুত ভ্রমণের জন্য মহাকাশে হাই বে পথও আছে ভিটামিন ডি করোনার মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে গবেষণায় জানা গেছে জীবনের অনেক চিহ্ন এখনও মঙ্গল গ্রহের পরিবেশে বিদ্যমান অক্সিজেনের সাহায্যে বয়সকে মাত দিতে চলেছেন বিজ্ঞানিরা এর ডানার বিস্তার ছিল বিশ ফুট ছিলো প্রাগতৈহাসিক যুগে গুরু এবং শনি একে অপরের নিকটে আসছে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী নিশির সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সেক্রেটারি লেখকের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রাশিয়ান বিজ্ঞানী কে হত্যা করা হয়েছে করোনার ভ্যাকসিনের সাথে যুক্ত ছিলেন গুদামে সরবরাহিত চিনি জেলা প্রশাসক অফিসে জানানো হবে মানসিক হয়রানি তদন্ত এবং দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিবর্তন করা হবে চিকিত্সার অভাবে মারা গেল লাপুংয়ের কেওয়াত টালির দরিদ্র শ্রমিক

ঢাকেশ্বরী মন্দির আলোয় আলোয় সমাজের মলিনতা দূর করতে ডাক

Reporter Name
  • পোষ্ট করেছে : Saturday, 14 November, 2020
  • ৩১৭ জন দেখেছেন
ঢাকেশ্বরী মন্দির আলোয় আলোয় সমাজের মলিনতা দূর করতে ডাক
  • সহস্র প্রদীপ জ্বালাতে উপস্থিত ছিলেন বিক্রম দোরাইস্বামী

  • কোরোনার সংকটও বাঙ্গালীর উৎসবে ছায়া ফেলেনি

  • মন্দিরের ভিতরে সব ধর্মের লোকের প্রচুর ভিড়

আমিনুল হক

ঢাকাঃ ঢাকেশ্বরী মন্দির একটি বিশ্ব বিখ্যাত মন্দির। একে জাতীয় মন্দিরও বলা হয়ে। সেই

মন্দিরে আজ আলোয় আলো।

ভিডিও তে দেখে নিন রিপোর্ট

সমাজের প্রতিটি সচেতন মানুষই চান অন্ধকার দূর করতে। এই জন্য যে কেবল ধর্মকে অবলম্বন

করতে হবে তাও কিন্তু নয়। সকল ধর্মের সম্মিলনে যদি মানুষ হয়, তাহলে আলোয় আলোয়

সমাজের মলিনতা দূর করতে চাই বন্ধন। যে বন্ধনটা বাংলাদেশে খুবই সুদৃঢ়। ধর্ম এখানে মুখ্য

নয়, উৎসবটা সবার, এমনটাই ভক্তদের মাঝে কাজ করে থাকে। বাংলাদেশের জাতীয় এই

মন্দির প্রাঙ্গনে ভক্তের মহামিলন দেখে স্বাভাবিকভাবেই মনে হয়েছে, উৎসব প্রিয় বাঙালি।

৭১’র এই বাঙালিই বাঁশের লাঠি নিয়ে স্বাধীকার আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েছিল। যেখানে কোন

ধর্ম কাজ করেনি। তারা বাঙালি, তাদের ভাষা বাংলা। তারা যে সংস্কৃতি-কৃষ্টিকে লালন করেন,

তাও কোন ধর্মের বিচারে নয়। মানুষ হিসেবে ঐক্যবদ্ধ শক্তি নিয়ে তাদের বসবাস। এটাই

শিখিয়েছে দুর্গোৎসব, দীপাবলি, ঈদ, পহেলা বৈশাখসহ প্রতিটি উৎসব।

ঢাকেশ্বরী মন্দির মাঠে বোম বাতি নিয়ে এসেছেন নুসরত

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন নুসরত। হাতে বোম বাতি। ঢাকেশ্বরী মায়ের

মন্দিরে তা জ্বালিয়ে প্রার্থনা করবেন জাতির কল্যাণে। করোনা দুনিয়ায় উৎসবে হয়তো শতভাগ

মনের খোরাক মিটবেনা, কিন্তু তারপরও ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণ কানায় কানায় ভর্তি।

চারিদিক দেখিয়ে নুসরত আরও বলেন, আমরা গেল বছর এর চেয়ে ঢের আনন্দ করেছি। পা

রাখবার জায়গা ছিলো না মন্দির প্রাঙ্গণে। তারপরও এই মহামারিতে যতটুকু আয়োজন তা

প্রত্যক্ষ করে এটাই বলতে হয়-ক্ষ্যাপা বাঙালি! এই মহাআয়োজনেও খুশি নন তারা। আলোয়

আলোয় আলোকিত মায়ের মন্দির। তারা আরও প্রত্যাশা করছেন। এই প্রত্যাশাই তাদের

ঐক্যের ছাতার তলায় নিয়ে এসেছে।

বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী প্রোগ্রামের মুখ্য অতিথি

সন্ধে ছ’টা। মন্দিরের বাইরে পুলিশ স্কটের হুইসেল কানে এলো। এরপর দেখা গেল মন্দিরের

সদর গেইট গলিয়ে কালো রঙের দু’টো প্যাজেরো এসে থামলো। তা থেকে নেমে আসছেন,

জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সহস্র প্রদীপ প্রজ্জ্বোলন অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ভারতীয়

হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। সস্ত্রীক সোজা এসে মঞ্চে দাঁড়ালেন। দু’মাসও হয়নি

বাংলাদেশে দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন। এরই মধ্যে কতটা সহজ সাবলিলভাবে সব কিছু মানিয়ে

নিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে একজন সফল কূটনীতিকের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন তিনি। চলনে

বলনে আধুনিক ও সামাজিক। মানুষকে আপন করে নেবার ক্ষমতা তার ঐশ্বরিক। দেশ ও

সমাজ ভাবনায় মগ্ন মানুষেরা এমনটিই হয়ে থাকেন। কোন সফল কূটনীতিক একজন

দার্শনিকও। তা নাহলে কি সমাজ-রাষ্ট্র আর মানুষের সমন্বয় ঘটানো সম্ভব?

মন্দির সংশ্লিষ্টদের বক্তৃতার পালা শেষে উদ্বোধকের বক্তব্য দিয়ে গিয়ে বাংলায় সবাইকে

দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন। এরপর সমাজিক বন্ধন কতটা অটুট তা বাংলাদেশ উদারণ

হিসেবে তুলে ধরেন। বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথাও বেশ

গর্বের সঙ্গে বললেন। বাংলাদেশের কল্যাণ কামনা এবং এই আয়োজন সফলতার প্রত্যাশা নিয়ে

বক্তব্য শেষে প্রদীপ প্রজ্জ্বোলনে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত রাখলেন। নিজে মোমবাতি নিয়ে মঞ্চের

অন্যদের হাতে তুলে দিলেন। সামাজিকতার মোড়কে মানুষকে কতটা বাঁধা যায় তারই স্বাক্ষর

রাখলেন ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। প্রদীপ প্রজ্জ্বোলন শেষে মন্দির

প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন। এরপর দেবী দর্শনে মিশে যান আম জনতার সঙ্গে। বিন্দুমাত্র বিচলিত নন

তিনি। সবাইকে কাছে ডেকে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে মায়ের আর্শিবাদ নিয়ে এবং সবার কাছ থেকে

বিদায় নিয়ে গাড়ীতে চেপে বসেন।

মহানগর সার্বজনীন পুজা কমিটির সাধারণ সম্পদক কিশোর রঞ্জন মন্ডল এবং বাংলাদেশ

জাতীয় পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জী এবং দপ্তর সম্পাদক

বিপ্লব দে জানালেন, বর্তমান করোনা মহামারিতে দুর্গোৎসবের পর পরই দীপাবলি উৎসব।

তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভক্তদের অংশ নিতে বলেছেন। মন্দিরে আগত ভক্তদের উদ্দেশ্যে বার বার

মাইকিংও করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে সবাই যেন অবশ্যই মাস্ক পরেন এবং দৈহিক দূরত্ব রক্ষা করে

চলেন। রাত ১২টায় পুজা শুরু হয়ে ভোররাত ৪টায় শেষ হবে। তারপর বলি সম্পন্ন করে

ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ
Bengali English Hindi