1. mistupoddar056@gmail.com : Bangla : Bangla
  2. admin@jatiyokhobor.com : jatiyokhobor :
  3. suhagranalive@gmail.com : Suhag Rana : Suhag Rana
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধন্যবাদ জানাই  গুগলকে আমাদের প্রচেষ্টাকে সম্মান করার জন্য পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গতিবিধি থেকে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজ্ঞানিরা করোনার ভ্যাকসিনের বিশ্বব্যাপী বিতরণ শুরু দ্রুত ভ্রমণের জন্য মহাকাশে হাই বে পথও আছে ভিটামিন ডি করোনার মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে গবেষণায় জানা গেছে জীবনের অনেক চিহ্ন এখনও মঙ্গল গ্রহের পরিবেশে বিদ্যমান অক্সিজেনের সাহায্যে বয়সকে মাত দিতে চলেছেন বিজ্ঞানিরা এর ডানার বিস্তার ছিল বিশ ফুট ছিলো প্রাগতৈহাসিক যুগে গুরু এবং শনি একে অপরের নিকটে আসছে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী নিশির সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সেক্রেটারি লেখকের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রাশিয়ান বিজ্ঞানী কে হত্যা করা হয়েছে করোনার ভ্যাকসিনের সাথে যুক্ত ছিলেন গুদামে সরবরাহিত চিনি জেলা প্রশাসক অফিসে জানানো হবে মানসিক হয়রানি তদন্ত এবং দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিবর্তন করা হবে চিকিত্সার অভাবে মারা গেল লাপুংয়ের কেওয়াত টালির দরিদ্র শ্রমিক

বাংলা ভাষার জন্য নিজের ক্ষতি হতে দেখে অনেক বাঙ্গালী বাংলা ত্যাগ করেছে

Reporter Name
  • পোষ্ট করেছে : Saturday, 8 August, 2020
  • ৪৯ জন দেখেছেন
বাংলা ভাষার জন্য নিজের ক্ষতি হতে দেখে অনেক বাঙ্গালী বাংলা ত্যাগ করেছে
  • প্রসিদ্ধ শিক্ষাবিদ ডাক্তার দেবজ্যোতির মুখার্জির সঙ্গে কথা

  • আগে এখানের এমএলএও বাঙ্গালী ছিলেন

  • এখন মাত্র পাঁচ হাজার বঙ্গভাষী রয়েছেন

  • পদবী থাকলেও অনেকে বাংলা জানে না

দীপক নৌরঙ্গী

ভাগলপুরঃ বাংলা ভাষার জন্য নিজের ক্ষতি হতে দেখে অনেক পরিবারের লোকেরা না

নিজেরা চাইলেও নিজেদের বাড়ির ছেলে মেয়েদের আর বাংলা ভাষা পড়ার জন্য জোর দিতে

পারেন নি। শিক্ষার ক্ষতি হচ্ছে দেখে অনেক বাঙ্গালী পরিবারকে না চাইতেও বাংলা ভাষা

ছাড়তে হয়েছে। আগে এখানে প্রায় ২৬ হাজার বঙ্গভাষী ছিলেন। আজকের কথা ভাবতে তাদের

সংখ্যা কমতে কমতে মাত্র পাঁচ হাজার দাড়িয়েছে।

ভিডিও তে দেখুন তিনি কি বলছেন

এই কথা জানালেন ভাগলপুরে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডাক্তার দেবজ্যোতি মুখার্জী। ডাক্তার

মুখ্যার্জি ভাগলপুরের জন্য এক পরিচিত নাম। শিক্ষার জগতে এক বিশেষ অবদানের কারণ

তিনি পরিচিত। অনেক সময তার আন্দোলন সরকারের মনোযোগ আকর্ষণ করার কাজ

করেছে। আদমপুরের বাসিন্দা এই ব্যক্তি আচমকা একটি বড়ো মিছিল বের করার ঘোষণা করে

সরকার ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নজর কেড়েছিলেন। তিনি মুখ্য ভাবে ছোট ছোট

ছেলেমেয়েদের শিক্ষার ক্ষেত্রে অনেক কাজ করেছেন। তাই তাঁকে লোকে এক নামে চেনে।

ভাগলপুর ছাড়া সারা বিহারের শিক্ষা জগতের জানা শোনা নাম তাঁর

ভাগলপুরের বাঙ্গালী নিয়ে কথা উঠতেই তিনি জানালেন যে আগে এখানকার এমএলএও বাঙ্গালী

ছিলেন। সেই এমএলএ নাম ছিলো বিজয় কুমার মিত্র। নিজের ব্যাপারে ডাক্তার মুখার্জী জানালেন

যে তাঁরা এখানে গত ১৩ পুরুষ ধরে আছেন। মানে তার পূর্বপুরুষেরা এখানে পুরোহিত হয়ে

এসেছিলেন। সেটা মোগল কালের ঘটনা। বাঁঙ্গালিদের সংখ্যা এই প্রায় সত্তর সাল অব্দি ঠিক

ছিলো। তখন এখানে ২৬ হাজার বাঙ্গালী ভোটার ছিলো। কিন্তু এখন সেই সব শেষ হয়ে গেছে।

এখন মেরে কেটে মাত্র পাঁচ হাজার বঙ্গভাষী এখানে আছেন। ডাক্তার মুখার্জী স্পষ্ট বলে দিলেন

যে অনেকের বাঙ্গালী পদবী নিয়ে মাথা ঘামাবার দরকার নেই। সেই হিসেবে দেখতে গেলে

এখানে প্রায় সত্তর হাজার পরিবার আছেন, যাদের বাঙ্গালী পদবী। তবে সেই সব পরিবার আর

বাঙ্গলার সাথে কোন সম্পর্ক রাখে না।

কেন এমন হলো, সেই ব্যাপার জানতে গেলে তিনি জানালেন যে আসলে শিক্ষার ক্ষেত্র প্রচুর

উপেক্ষার কারণে অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে বাঙ্গলা ছেড়ে দিয়েছে। সেই সময়ে বাংলা ভাষায়

যারা পরীক্ষার খাতা লিখছিলেন, তাদের কপি দেখার শিক্ষক ছিলো না। তাই ম্যাট্রিক বা অন্য

পরীক্ষায় কম নম্বর পাওয়ার পরে তারা বাধ্য হয়ে বাংলা ছেড়ে হিন্দি ভাষার দিয়ে এগিয়ে

গেছেন। পর কালে নেক্স্ট জেনারেশন আর বাংলার সাথে কোন সম্পর্ক রাখে নি।

বাংলা ভাষার জন্য নিজেই পশ্চিমবঙ্গে দেখা পরীক্ষা দেন

ডাক্তার মুখার্জী নিজের ব্যাপারে জানালেন যে নিজের ক্ষতির হতে পারে জেনে তিনি নিজের

মামার বাড়ী (পশ্চিম বাংলা) থেকে পড়াশুনো করেন। এখানে বাঙ্গলায় লেখা কপি কেউ চেক

করবে না, জানার পরেই মামার বাড়ী থেকে পরীক্ষা দেন। সেখানে থেকে পাস করার পরে তিনি

কলেজের পাস করে জামশেদপুরের এক্স এল আর আই তে চলে আসেন। সেখানের পড়া শেষ

করার পরে তার নিজের তরফ থেকে যুবকদের রোজগার করার চেয়ে রোজগার দেবার দিকে

এগিয়ে যাবার শিক্ষা দিতে শুরু করেন। এই যুবকদের শেখানো হয় যে চাকরী খোঁজার চেয়ে

নিজে যাতে অন্যদের চাকরী দিতে পারে, সেই ব্যাপারে কাজ করা বেশি ভাল। এই প্রচেষ্টার প্রচুর

লাভ হয়েছে। তার পর ডাক্তার মুখার্জী পড়াশুনো যারা ছেড়ে দিয়েছিলো, সেই সমস্ত গরীব

বাচ্চাদের আবার পড়ার দিকে ফিরিয়ে আসার কাজ শুরু করেন। ৫৫৩ বাচ্চাদের আবার থেকে

পড়ার দিকে আনাকে তিনি বড় ব্যাপার মনে করেন। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন যে নিজের

শিক্ষা জীবনে মোট ২ লক্ষ থেকে বেশি বাচ্চাদের তিনি শিক্ষা দেওযার কাজ করেছেন। ডাক্তার

দেবজ্যোতি মুখার্জি অখিল ভারতীয স্তরের ৯৬ সংস্থ্যার সাথে যুক্ত।

পড়া ছাড়া অন্য কাজ করা প্রশ্নে তিনি জানালেন যে রিক্শা চালকদের রিক্শা মালিক করার

কাজও তিনি করেছেন। এই কাজে ভাগলপুরের অনেক বড় লোকেরা সাহায্য করেছেন। তাঁর

কথায় বিশ্বাস করে তাঁরা সবাই বিনা সূদে এই রিক্শাচালকদের টাকা দিয়েছিলেন। যার ফলে এই

সব রিক্শা চালক এখন রিক্শার মালিক হয়েছে। সমস্ত রিক্শাচালকেরা ধার করা টাকা শোধ

করেছে। এখন তিনি রিক্সা চালকদের ই রিক্সা দেবার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। করোনার ঝামেলা

শেষ হলে এই কাজ আরও এগুবে বলে তিনি মনে করেন

[subscribe2]

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ
Bengali English Hindi